<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Electric Scooter &#8211; ElectricScooter.com.bd</title>
	<atom:link href="https://electricscooter.com.bd/tag/electric-scooter/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://electricscooter.com.bd</link>
	<description>Electric Scooter Price &#38; Review Bangladesh</description>
	<lastBuildDate>Sun, 04 Jul 2021 18:54:12 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>

<image>
	<url>https://electricscooter.com.bd/wp-content/uploads/2019/12/electricscooter-favi.png</url>
	<title>Electric Scooter &#8211; ElectricScooter.com.bd</title>
	<link>https://electricscooter.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
<site xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">168960638</site>	<item>
		<title>Electric Scooter Unbox Bangladesh</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-unbox-bangladesh/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-unbox-bangladesh/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Dec 2019 05:15:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[electric scooter bangladesh price]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2850</guid>

					<description><![CDATA[চায়না থেকে নিজের ব্যবহারের জন্যে ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসছিলাম। আপনারা যারা অনেকেই রিভিউ যানতে চেয়েছেন তাদের জন্যে, প্যাকেজিংঃ প্যাকেজিং মোটামুটি ভাল, বাইরে গ্রিন পলিব্যাগ দিয়ে মোড়ানো ছিল, ভিতরে ককশীট এর ভিতরে স্কুটারটি ছিল। কোন সমস্যা বা স্ক্র্যাচ নাই। স্কুটার সেটাপঃস্কুটার সেটাপ খুবই সহজ, এটি প্যাকেট এর মধ্যেই ফোল্ডিং করা অবস্থায় ছিল, শূধু আনফোল্ড করে লক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চায়না থেকে নিজের ব্যবহারের জন্যে ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসছিলাম। আপনারা যারা অনেকেই রিভিউ যানতে চেয়েছেন তাদের জন্যে,</p>



<p>প্যাকেজিংঃ প্যাকেজিং মোটামুটি ভাল, বাইরে গ্রিন পলিব্যাগ দিয়ে মোড়ানো ছিল, ভিতরে ককশীট এর ভিতরে স্কুটারটি ছিল। কোন সমস্যা বা স্ক্র্যাচ নাই।</p>



<p>স্কুটার সেটাপঃ<br>স্কুটার সেটাপ খুবই সহজ, এটি প্যাকেট এর মধ্যেই ফোল্ডিং করা অবস্থায় ছিল, শূধু আনফোল্ড করে লক টী লাগিয়ে দিলেই বাইক রেডী।</p>



<p>ডিসপ্লে মিটারঃ<br>ডিসপ্লে মিটার টি খোলা ছিল, দুইটা স্ক্রু দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে, স্ক্রু ২টি সাথে দেওয়াই আছে।</p>



<p>রেডি টু রাইডঃ<br>ডিসপ্লে মিটার টা লাগিয়ে নিলে বাইক মুটামুটী রেডী ট রাইড। তবে আগে ৩-৪ ঘন্টা ফুল চার্জ করে নিতে হবে। সাথে দেওয়া এল-কি দিয়ে স্ক্রু গুলো চেক করতে পারেন ভাল ভাবে লাগানো আছে কিনা।</p>



<p>স্কুটার এর বিস্তারিতঃ<br>স্কুটার টি গ্রিনপেডেল ব্রান্ডের চায়না থেকে আনা হয়েছে, একবার চার্জ নিতে ৩-৪ ঘন্টা সময় লাগে, ফুল চার্জ দিলে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এর বেশি যায়। ৩টি গিয়ার আছে,<br>১ গিয়ারঃ সর্বোচ্ছ স্পীড &#8211; ১৪ কিলো/ ঘন্টা<br>২ গিয়ারঃ সর্বোচ্ছ স্পীড &#8211; ২৪ কিলো/ঘন্টা<br>৩ গিয়ারঃ সর্বোচ্ছ স্পীড &#8211; ৩৮ কিলো/ঘন্টা</p>



<p>একটি ব্রেক আছে, পিছনের চাকায়, ফুল আটোমেটিক, ব্রেক ধরার সাথে সাথে মটর এর স্পীডও কমে যায়।</p>



<p>স্কুটার টি দাড়িয়ে চালাতে হয়, তবে সীট লাগানোর ব্যবস্থা আছে, এই বাইকের সাথে কোণ সীট ছিল না।</p>



<p>সার্বিক টেস্টিং এর পর আরো ২ টা স্কুটার নিয়ে আসছি। বাংলাদেশের যেকোন যায়গায় কুরিয়ার করে দেওয়া যাবে। সাইটে ভিডিও দেওয়া আছে দেখতে পারেন</p>



<h2 class="wp-block-heading">আনবক্স ভিডিও দেখুন</h2>



<figure class="wp-block-embed-youtube wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-embed-aspect-4-3 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Electric Scooter Unbox Bangladesh" width="1170" height="658" src="https://www.youtube.com/embed/s9SZQLyFDp4?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-unbox-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2850</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Electric scooter Vs electric bike which to buy</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-electric-bike/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-electric-bike/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 Dec 2019 14:33:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[electric bike]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2832</guid>

					<description><![CDATA[প্রায় ৫০শতাংশ লোকের মনে এরকম একটা প্রশ্ন থাকে তা হল ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক কেমন হয়? আপনি অনুমান করতে পারবেন না যে, গত কয়েক বছর ধরে পুরো পৃথিবীতে ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইকের ডিমান্ড কি রকম হয়েছে। নতুন নতুন মডেল বাজারে আসছে আবার সেগুলো বিক্রি ও হচ্ছে। ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক ইতিমধ্যে জনপ্রিয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রায় ৫০শতাংশ লোকের মনে এরকম একটা প্রশ্ন থাকে তা হল ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক কেমন হয়? আপনি অনুমান করতে পারবেন না যে, গত কয়েক বছর ধরে পুরো পৃথিবীতে ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইকের ডিমান্ড কি রকম হয়েছে। নতুন নতুন মডেল বাজারে আসছে আবার সেগুলো বিক্রি ও হচ্ছে। ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে চায়না এবং জাপানে সাথে সাথে ইউরোপ জুড়ে এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যাচ্ছে। </p>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক প্রতিদিনের যাতায়াতের সঙ্গী হিসেবে জনপ্রিয়। আপনারা অনেকেই ই-বাইক গুলো দেখেছেন কিংবা দেখেন নি। ই -বাইক গুলো দেখতে রেগুলার যে সাইকেল গুলো দেখা যায় সেগুলোর মতই তবে এগুলোর কোনো শব্দ উৎপন্ন হয় না এবং কার্বন নিঃসরণ হয় না। চলাচল করতে অসুবিধা হয় না ,খুব সহজভাবে এবং মজা নিয়ে যাতায়াত উপভোগ করা যায়। আজকের আর্টিকেল সাজানো হয়েছে ইলেকট্রিক স্কুটার নাকি ইলেকট্রিক বাইক কোনটি কিনবেন এ প্রসঙ্গে। এ আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা বুঝতে পারবেন কোনটি আপনার জন্য সুবিধাজনক। চলুন তাহলে দেখে নেই ইলেকট্রিক স্কুটার নাকি ইলেকট্রিক বাইক কোনটি কিনবেন?</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>দামঃ</strong></h3>



<p>প্রথমেই আসি ইলেকট্রিক বাইকের প্রসঙ্গে। প্রথমত বাজারে ইলেকট্রিক বাইক গুলোর দাম ইলেকট্রিক স্কুটারের চেয়ে একটু বেশি। ই -বাইক গুলোর দাম ১০০০ ডলার থেকে শুরু করে ৪০০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অন্যদিকে ই- স্কুটার গুলোর দাম তুলনামূলকভাবে কম। তবে কিছুদিনের মধ্যেই ই- বাইক গুলোর দাম অনেক কমে যাবে প্রায় ১৫০০ ডলারের কাছাকাছি থাকবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>সর্বোচ্চ গতিঃ</strong></h3>



<p>যেহেতু দুটোই পাওয়ারফুল ব্যাটারিচালিত তাই ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইকের গতি নিয়ে তেমন সমস্যা নেই। ইলেকট্রিক বাইক গুলোর সর্বোচ্চ গতি ২০ এমপিএইচ। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটারের সর্বোচ্চ গতি ১৫ এমপিএইচ পর্যন্ত। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>পরিবেশ বান্ধবঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক দুটোই পরিবেশ বান্ধব। সারাবিশ্বে কার্বন  নিঃসরণ খুব সাংঘাতিক ভাবে বেড়ে যাচ্ছে। তাই কিছু কিছু দেশ পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহার করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছে। এদিক থেকে ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক পরিবেশের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।  যেহেতু এগুলো কার্বন নিঃসরণ করে না তাই আপনি ইচ্ছামত ব্যবহার করতে পারবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>সুরক্ষাঃ</strong></h3>



<p>প্রথমে বলে রাখি আপনি যে যানবাহনগুলোই ব্যবহার করেন না কেন নিজের সুরক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করার সময় হেলমেট পরিধান করা উচিত। অন্যদিকে ইলেকট্রিক বাইক যেহেতু রেগুলার সাইকেলের মতো ব্যবহার করা যায়  তাই হেলমেট পরিধান না করলে তেমন সমস্যা হয় না। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>স্টোরেজ সুবিধাঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার আকারে ছোট হওয়ায় একে স্টোরিজ করার বেশ সুবিধা আছে। অন্যদিকে  ইলেকট্রিক বাইক গুলো রেগুলার সাইকেলের মতো বড় হওয়ায় এগুলো ষ্টোরেজ করতে একটু অসুবিধা হয়। ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো ভাঁজ করে ঘরে কিংবা গ্যারেজে গাড়ির পিছনে রাখা যায়। কিছু কিছু ইলেকট্রিক বাইকের ও ভাঁজ করার অপশন আছে তাই কেনার সময় কি কি ফিচার আছে সেগুলো জেনে কেনা উচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>চুরি যাবার সম্ভাবনাঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো বেশি হালকা হাওয়ায় চুরি যাবার সম্ভাবনা বেশি। যদি ইলেকট্রিক স্কুটারে এবং ইলেকট্রিক বাইকে এলার্ম দেয়া না থাকে তাহলে দুটোরই চুরি হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক ব্যবহারে সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>শব্দঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক দুটো থেকেই শব্দ উৎপন্ন হয় না। তাই ইলেকট্রিক স্কুটার কিংবা ইলেকট্রিক বাইক যেটাই কিনুন না কেন শব্দ দূষণের কোন সম্ভাবনা নেই। তাই  এগুলোকে বলা যায় শব্দ দূষণ মুক্ত বাহন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>চাকার সাইজঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক বাইক গুলো চাকার সাইজ অনেক বড় হয় সাধারণত ১৬ ইঞ্চির মত আবার অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার এর চাকার সাইজ ছোট হয় সর্বোচ্চ ১০ ইঞ্চি থেকে ১২ ইঞ্চি পর্যন্ত। তবে ইলেকট্রিক বাইক গুলো যেকোনো ধরনের রাস্তায় চলতে পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>শরীরকে ফিট রাখতেঃ</strong></h3>



<p>আপনি যদি শরীরকে ফিট রাখতে চান তাহলে ইলেকট্রিক বাইক চালানো সেদিক দিয়ে বেশ ভালো একটা ব্যায়াম হতে পারে। কারণ ইলেকট্রিক বাইক গুলোতে প্যাডেল থাকে, প্যাডেল চালাতে বেশ পরিশ্রম হয়। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার চালাতে তেমন পরিশ্রম হয় না। অবশ্যই পুরো পছন্দ আপনার, আপনি কোনটি পছন্দ করবেন। যদি আপনি ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন তাহলে ইলেকট্রিক বাইক আপনার জন্য ভালো আর যদি ব্যায়াম করতে পছন্দ না করেন তাহলে ইলেকট্রিক স্কুটার ভালো হবে। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>ব্যাটারি পাওয়ারঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো ব্যাটারি দিয়ে চলে তাই ব্যাটারির পাওয়ার যত ভালো হবে ইলেকট্রিক স্কুটার ততো ভালো চলবে তবে এক্ষেত্রে রাস্তার অবস্থা ও ভালো হতে হবে। অন্যদিকে ইলেকট্রিক বাইক গুলোর ব্যাটারির চার্জ শেষ হলেও প্যাডেল দিয়ে বেশ ভালো ভাবে চালানো যায় সাধারণ সাইকেলের মতো। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>জনপ্রিয়তাঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক এর জনপ্রিয়তা একেক দেশে একেক রকম আছে। ইলেকট্রিক বাইক এর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি চীন এবং জাপানে। অন্যদিকে ইউরোপ ইউরোপের দেশগুলোতে আবার ইলেকট্রিক স্কুটারের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি।</p>



<p>সবশেষে, ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় বাহিরের দেশে। এগুলো আমাদের দেশে সেরকম ভাবে এখনও জায়গা করে নিতে পারেনি অনেকে আবার এগুলো দেখেও নি।তবে ইন্টারনেটের বদৌলতে এখন অনেকেই এগুলো কেনার জন্য বেশ উৎসাহী তাই যারা এগুলো সম্পর্কে জানতে চান এবং কিনতে আগ্রহী তাদের জন্য আজকের আর্টিকেল। আসলেই ইলেকট্রিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক বাইক দুটোরেই আলাদা আলাদা সুবিধা আছে। যারা দাঁড়িয়ে চালাতে চান তাদের জন্য ইলেকট্রিক স্কুটার সেরা আবার যারা বসে চালাতে চান তাদের জন্য ইলেকট্রিক বাইক সেরা। তবে অল্প দূরত্বে যাওয়া আসার জন্য ইলেকট্রিক স্কুটার সুবিধাজনক এমনি একটু বেশি হলে ইলেকট্রিক বাইক সুবিধাজনক। তাই নিজের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং বাজেটের বিষয়টা মাথায় রেখে কিনতে পারেন যেকোনো একটি। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি ইলেকট্রিক স্কুটার কে পছন্দ করি কারণ এগুলো চালানো শিখতে বেশি সময় লাগে ন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শিখে নেয়া যায় অন্যদিকে ইলেকট্রিক বাইক চালানো শিখতে সময় লাগে। যাই হোক পছন্দ পুরোপুরি আপনার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-electric-bike/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2832</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Cheap electric scooter in bangladesh</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/cheap-electric-scooter-in-bangladesh/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/cheap-electric-scooter-in-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Nov 2019 16:41:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[cheap electric scooter]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2810</guid>

					<description><![CDATA[আধুনিক পরিবহনের যে ট্রেন্ডস গুলো আছে তারমধ্যে অন্যতম হলো ইলেকট্রিক স্কুটার। এই দুই চাকা বিশিষ্ট যানগুলো বেশ আরামদায়ক, ব্যবহার করা সহজ, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অনায়াসেই নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু এত এত ব্র্যান্ডের স্কুটারের মধ্যে কম দামের ভালো কিছু ইলেকট্রিক স্কুটার খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কম দামের কোন স্কুটারটি ভালো হবে? কম দাম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আধুনিক পরিবহনের যে ট্রেন্ডস গুলো আছে তারমধ্যে অন্যতম হলো ইলেকট্রিক স্কুটার। এই দুই চাকা বিশিষ্ট যানগুলো বেশ আরামদায়ক, ব্যবহার করা সহজ, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অনায়াসেই নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু এত এত ব্র্যান্ডের স্কুটারের মধ্যে কম দামের ভালো কিছু ইলেকট্রিক স্কুটার খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কম দামের কোন স্কুটারটি ভালো হবে? কম দাম হলে কতদিন টিকবে ইত্যাদি প্রশ্ন মনে জেগে উঠতে পারে। বাজেটের মধ্যে ভালো স্কুটার খুঁজে পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাই আজকের আর্টিকেল সাজানো হয়েছে কম দামে ভালো কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারের তথ্য নিয়ে যাতে আপনাদের কেনার জন্য হন্য হয়ে ক্লিক করতে না হয়। এখানে কম দামের ভাল কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারের লিস্ট দেওয়া হল যাতে আপনারা পছন্দমত কিনে চালাতে পারেন। চলুন দেখে নেই লিস্টে কি কি নামের ইলেকট্রিক স্কুটার আছে।&nbsp;<br></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>Razor Power Core E9O</strong></h3>



<p>এই স্কুটার টি হল সবচেয়ে সাশ্রয়ী ইলেকট্রিক স্কুটার। আসলে এটি বানানো হয়েছে&nbsp; কিশোর-কিশোরীদের কথা চিন্তা করে। এই স্কুটারটির মূল্য ১৯৯.৯৯ ডলার। যেহেতু এটার মূল্য অনেক কম তাই বলে এর পারফরম্যান্স কিন্তু খুব একটা খারাপ না। স্কুটারটি ১০এমপিএইচ এর বেশি জোরে যেতে পারে না এবং এর ব্যাটারির চার্জ থাকে সর্বোচ্চ ৮০ মিনিট। স্কুটারটি বাচ্চাদের জন্য তৈরি করা তাই এর ওজন ধারণ ক্ষমতা ১২০ এলবিএস। তারপরও বাচ্চাদের চালানোর জন্য এটা বেশ ভালো কাজে দেয়।<br></p>



<p>এক নজরে <strong>Razor Power Core E90</strong></p>



<ul class="wp-block-list"><li>রেঞ্জঃ ১২ মাইল (১৯ কিমি)</li><li>ওজনঃ ২২ এলবিএস (১০ কেজি)</li><li>গতিঃ ১০ এমপিএইচ (১৬ কিমি)</li><li>মূল্যঃ ১৯৯.৯৯ ডলার</li></ul>



<p><strong>Razor E325:</strong><br></p>



<p>রেজারের এই ব্র্যান্ডটি ঘন্টায় ১৫ মাইল যেতে পারে ৪০ মিনিটে। ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে এটা সাধারণ পায়ে চালিত স্কুটার এর মত ব্যবহার করা যায়। যদি আপনি আপনার কাজের জায়গায় যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে চান তাহলে এটা অনেক ভালো সার্ভিস দিবে। যদি আপনার অফিস ২০ মিনিটের রাস্তা হয় তাহলে আমরা রিকমেন্ড করব আপনি একটা অতিরিক্ত ব্যাটারি কিনতে পারেন যা স্কুটারের সাথে লাগানো যাবে। অতিরিক্ত ব্যাটারির মূল্য ১৪ ডলার।&nbsp;<br></p>



<p>একনজরে <strong>Razor E325</strong>:</p>



<ul class="wp-block-list"><li>রেঞ্জঃ ৯ মাইল (১৪ কিমি)</li><li>ওজনঃ ৫০এল বি (২২ কেজি)</li><li>সর্বোচ্চ গতিঃ ১৫&nbsp; এম পি এইচ (২৪ কিমি)</li><li>মূল্যঃ ২৫৯.৯৯ ডলার</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>Swagtron Swagger Electric Scooter</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এর দিকে তাকালে swagtron কে আসলে অগ্রাহ্য করা কঠিন। swagtron swagger তৈরি করা হয়েছে খুবই হালকা ওজনের কার্বন ফাইবার দিয়ে এবং এটা সর্বোচ্চ গতি ১৫ এম পি এইচ একবার চার্জ করলে যেতে পারে। কোম্পানিটি এই ব্র্যান্ডের স্কুটারকে এবড়ো থেবড়ো রাস্তায়ও স্মুথলি চলাচলের জন্য তৈরি করেছে। এই স্কুটার এর উপরে কন্ট্রোল প্যানেল আছে যেটা আপনাকে ব্যাটারির চার্জ কতটুকু আছে এবং স্প্রিড কত তার তথ্য আপনাকে জানাবে। এই স্কুটারটির ফোল্ড করার অপশন আছে তাই এটা যেকোনো জায়গায় রাখা যায। কেনার সময় অবশ্যই ফিচারগুলো চেক করে কিনবেন।<br></p>



<p>একনজরে <strong>swagtron swagger</strong></p>



<ul class="wp-block-list"><li>রেঞ্জঃ ১৫ মাইল (২৪ কিমি)</li><li>ওজনঃ ১৫ এল বি (৭ কেজি)</li><li>সর্বোচ্চ গতিঃ ১৫ এমপিএইচ (২৪ কিমি)</li><li>মূল্যঃ ২৭৯ ডলার</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>GOTRAX GXL Commuting Electric Scooter</strong></h3>



<p>এই ইলেকট্রিক স্কুটারটির দাম ৩০০ ডলারের নিচে এবং এর মোটর ২৫০ ওয়াট। গোটরেক্স&nbsp; স্কুটারটি ১৫.৫ এমপি এইচ স্পিডে চলতে পারে এবং ২২০ এলবিএস পর্যন্ত ওজন ধারণ করতে সক্ষম। এটার গিয়ার সংখ্যা দুটি এবং এর একটি ডিজিটাল স্পিড মিটার রয়েছে। স্কুটারের বডি বেশ শক্ত এবং হালকা। এই ইলেকট্রিক স্কুটারটির টায়ার ৮.৫ ইঞ্চি প্রশস্ত এবং এটা যেকোনো ধরনের ধাক্কা সামলাতে প্রস্তুত।<br></p>



<p>একনজরে গোটরেক্স জি এক্সেল</p>



<ul class="wp-block-list"><li>&nbsp;রেঞ্জঃ ১২ মাইল (১৯ কিমি)</li><li>&nbsp;ওজনঃ ২৭ এল বি (১২ কেজি)</li><li>&nbsp;সর্বোচ্চ গতিঃ ১৫.৫ এমপিএইচ (২৫ কিমি)</li><li>&nbsp;মূল্যঃ ২৯৯ ডলার</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>Razor Ecosmart Metro Electric Scooter</strong></h3>



<p>ইকো স্মার্ট মেট্রো স্কুটারটি দেখতে ইলেকট্রিক বাইকের মত। এর সাইজ বড়, চাকাগুলো বেশ বড় এবং হ্যান্ডেল বেশ চওড়া, এর প্যাডেল নেই সে কারণে একে ইলেকট্রিক বাইক থেকে আলাদা করা যায়। এটার একটা বসার সিট আছে, এর ডেকের সাইজ অনেক বড় যেটাতে খুব সহজভাবে স্কুটার চালানোর সময় আপনার পা রাখতে পারবেন এবং আরো একটা মজার জিনিস আছে তা হল এর পিছনে একটা ঝুড়ি অ্যাটাচ করা আছে। এই স্কুটারের ফোল্ড করার অপশন সম্পূর্ণ আলাদা। এই স্কুটারটি যাতায়াতের জন্য বেশ আরামদায়ক এবং আপনি যদি&nbsp; কোন জিনিসপত্র সাথে রাখতে চান তাহলে ঝুড়িতে রেখে নিশ্চিন্তে গন্তব্যে যেতে পারবেন। এই স্কুটারের সর্বোচ্চ গতি ১৮ এমপিএইচ এবং একবার চার্জ দিলে ১০ মাইল অনায়াসেই পাড়ি দেয়া যায়। কিন্তু এর ওজন ৬৭ পাউন্ড তাই এটা হাতে করে বহন করা যায় না। পুরোপুরি চার্জ হতে সময় লাগে ১২ ঘন্টা। সিট লাগানো ইলেকট্রিক স্কুটার কিনতে চাইলে ইকো স্মার্ট মেট্রো স্কুটার একটা ভাল অপশন।<br></p>



<p>এক নজরে রেজার ইকো স্মার্ট মেট্রো</p>



<ul class="wp-block-list"><li>রেঞ্জঃ ১০ মাইল (১৬ কিমি)</li><li>ওজনঃ ৬৭ এলবি (৩০ কেজি)</li><li>সর্বোচ্চ গতিঃ ১৮ এমপিএইচ (২৯ কিমি)</li><li>মূল্যঃ ৪৪৫ ডলার</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>Xiaomi Mi Electric Scooter M365</strong><br></h3>



<p>এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি নিঃসন্দেহে একটা ভালো স্কুটার। এর মূল্য ৫০০ ডলার এর কম কিন্তু কেউ কেউ কম দামেও বিক্রি করে। এটা এক চার্জেই ১৮.৬ মাইল যেতে পারে এবং এর সর্বোচ্চ ওজন ধারণ ক্ষমতা ২২০ এলবিএস। এই ইলেকট্রিক স্কুটার এর দুটো এলইডি লাইট একটা হেডলাইট এবং আরেকটা টেইল লাইট। এই স্কুটার এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এর প্রোডাকশন কম, যে কোন কারনেই হোক এটা সব দেশে পাওয়া যায় না। এটা বাজারে আসার সাথে সাথেই এর স্টক শেষ হয়ে যায়। যারা এটা কিনতে পায় আমি মনে করি তার ভাগ্য ভাল।<br></p>



<p>এক নজরে <strong>Xiaomi Mi Electric Scooter m365</strong></p>



<ul class="wp-block-list"><li>রেঞ্জঃ ১৮.৬ মাইল (২৯.৯ কিমি)</li><li>ওজনঃ ২৬.৯ এলবি ( ১২২কেজি)</li><li>সর্বোচ্চ গতিঃ ১৫.৫&nbsp; এমপিএইচ (২৪.৯ কিমি )</li><li>মূল্যঃ ৪৯৯.৯৯ ডলার</li></ul>



<p>মোটামুটি এগুলোই হল কম দামের মধ্যে ভালো কিছু ইলেকট্রিক স্কুটার। সবগুলোই ৫০০ ডলারের কম। আপনি যদি কিনতে চান তাহলে অবশ্যই ফিচার বুঝে কিনবেন। আসলে ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার সময় ব্যাটারির স্থায়িত্ব দেখে কেনা উচিত তাহলে লস হওয়ার আশঙ্কা নেই। আশা রাখি, এই আর্টিকেলটি আপনাদের ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার ব্যাপারে সহায়তা করবে। একটা ইলেকট্রিক স্কুটার কিনুন এবং ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়ান। শুভকামনা রইল সবার জন্য।&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/cheap-electric-scooter-in-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2810</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Driving licence for electric scooter in Bangladesh</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-driving-licence/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-driving-licence/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 26 Nov 2019 16:18:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[driving licence]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2785</guid>

					<description><![CDATA[ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো যাতায়াতের জন্য নতুন একটা মাধ্যম এবং এগুলোর মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আপনি এটাতে চড়ে শপিং করতে যেতে পারেন, সিনেমা দেখতে যেতে পারেন আবার আপনার শহরকে ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন এবং নতুন নতুন জায়গাতেও যেতে পারেন। এই নতুন পরিবহন গুলো শুধু সহজ এবং মজার না বরং এগুলো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো যাতায়াতের জন্য নতুন একটা মাধ্যম এবং এগুলোর মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আপনি এটাতে চড়ে শপিং করতে যেতে পারেন, সিনেমা দেখতে যেতে পারেন আবার আপনার শহরকে ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন এবং নতুন নতুন জায়গাতেও যেতে পারেন। এই নতুন পরিবহন গুলো শুধু সহজ এবং মজার না বরং এগুলো পরিবেশবান্ধব। এটা থেকে কোন কার্বন নিঃসরণ হয় না তাই ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো পরিবেশের জন্য হুমকি নয়।</p>



<p>যাইহোক, যখন আপনি ইলেকট্রিক স্কুটারে যাতায়াত করার চিন্তা করবেন তখন আপনার মনে কতগুলো প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে পারে। প্রশ্নগুলো এরকম যে, ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো রাস্তায় চালানো কি লিগ্যাল হতে পারে? ইলেকট্রিক স্কুটার কি হাঁটার রাস্তায় চালানো যাবে? যদিও বাংলাদেশে হাঁটার জন্য আলাদা কোনো লেন নেই। ইলেকট্রিক স্কুটার চালাতে কি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর দরকার হয় ইত্যাদি। এগুলো কিন্তু অবান্তর কোন প্রশ্ন নয়। বর্তমানে আমরা রাস্তায় বিভিন্ন ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল চালাতে দেখি এগুলো লাইসেন্স ছাড়া চালানো যায় না। চলুন তাহলে দেখে নেই ইলেকট্রিক স্কুটার চালাতে কি ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার হয়?   শীর্ষক আর্টিকেলটি।  </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>প্রথমেই জেনে নেই ইলেকট্রিক স্কুটার কি?</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার হলো ম্যানুয়াল স্কুটার এর মত দুই চাকা বিশিষ্ট কিন্তু ইলেকট্রিক স্কুটার এ মোটর লাগানো থাকে। ১৯৮৫ সালে প্রথম ইলেকট্রিক স্কুটার তৈরি করা হয়েছিল। তারপর কয়েক বছরের মধ্যেই এটি সারা বিশ্বের দেশগুলোতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যান্য পরিবহনগুলোর চেয়ে ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো অনেক ছোট হয়। আমরা প্রতিনিয়ত যে বাইসাইকেল গুলো দেখি তার চেয়ে ছোট এবং ওজনে হালকা হয়ে থাকে। এগুলো ভাঁজ করে রাখা যায়। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এবং সুরক্ষার জন্য কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>বিশ্বের অন্যান্য দেশে ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহারের নিয়মঃ</strong></h3>



<p>বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহারের বিভিন্ন নিয়ম আছে। কোন কোন দেশের রাজ্য অনুমতি দিলেও সে রাজ্যের শহর অনুমতি দেয় না ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহারের জন্য। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে শহর অনুমতি দিলেও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় অনুমতি দেয় না যেমন, আমেরিকার টেক্সাসে, যদি ইলেকট্রিক স্কুটারের মোটর ৯০০ ওয়াটের হয় এবং এটা ম্যানুয়ালি ব্যবহার করা যায় তাহলে সেটা ঠিকঠাক হয়। সেখানে ইলেকট্রিক স্কুটার বাইক লেনে যে কোন স্পিডে চলতে পারে কিন্তু রাস্তায় এবং হাটার রাস্তায় ইলেকট্রিক স্কুটার গুলোর স্প্রিট ৩৫ এমপিএইচ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। আবার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা নিয়ম আছে ইলেকট্রিক স্কুটার এবং বাইসাইকেল চালানোর জন্য। </p>



<p>ইউনাইটেড কিংডমে ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো সাইকেল চলার রাস্তায় এবং বড় রাস্তায় চলাচল করতে দেয়া হয় না। সেখানে ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো চালানোর জন্য কিছু লিগ্যাল নিয়ম মানতে হয়। সেখানে সবার আগে ব্যবহারকারীর সুরক্ষা কে প্রাধান্য দেয়া হয়।</p>



<p>আবার কিছু কিছু জায়গায় বয়সের সীমাবদ্ধতা দেয়া হয় ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর জন্য। যেমন ভারতে, বর্তমানে ১৬ থেকে ১৮ বছরের ছেলেমেয়েদের ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স চাওয়া হয় এবং সেখানে স্প্রিড লিমিটেশন ৭০ এমপিএইচ।  </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>বাংলাদেশ ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর জন্য কি ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার হয়?</strong></h3>



<p>এতক্ষণ বিশ্বের অন্যান্য দেশে ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহারের নিয়ম পড়ে মনে হতে পারে বাংলাদেশেও কি ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার হয়? আপনাদের কনফিউশন দূর করার জন্য বলছি যে, বাংলাদেশে যেহেতু ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো একেবারেই নতুন এবং বেশিরভাগ লোকজন এখন পর্যন্ত এগুলোর ব্যবহার জানে না তাই এগুলো চালানোর জন্য আপাতত কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স এর দরকার নেই। সাধারণ বাইসাইকেল যেমনভাবে ব্যবহার করে যেমন আপনারা জানেন বাইসাইকেল এর জন্য লাইসেন্স  এর দরকার হয় না তেমনভাবে ইলেকট্রিক স্কুটার এর জন্য কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স এর দরকার নেই। তবে যেহেতু ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো বাইসাইকেল এর চেয়েও দ্রুত চালানো যায় তাই আমি বলব যে, পার্সোনাল সেফটির জন্য হেলমেট পরিধান করা এবং ঠিকঠাক ভাবে চালানো শিখে তারপর রাস্তায় চলাচল করা।</p>



<p>সব শেষের কথা, ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো চালানো অনেক আনন্দদায়ক এবং এগুলো কাজেও বটে। এগুলো ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং পরিবেশবান্ধব। ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো চালানোর ক্ষেত্রে পথচারীদের দিকে খেয়াল রাখা জরুরী। রাস্তায় চলার জন্য ট্রাফিক রুলস মানা নিরাপদ। নিজের সুরক্ষার জিনিসপত্র নিজের কাছে রেখে ইলেকট্রিক স্কুটা্রে চেপে বেরিয়ে পড়তে পারেন নতুন জায়গার সন্ধানে, বন্ধুদের সাথে ভ্রমণে বের হতে পারেন। ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর মজা অনুভব করতে পারেন নিজের মতো করে। সবার জন্য রইল শুভকামনা। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-driving-licence/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2785</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Electric scooter vs motor bike which to buy</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-motor-bike/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-motor-bike/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 Nov 2019 13:18:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[electric-scooter-vs-motorcycle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2767</guid>

					<description><![CDATA[কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য একেকজন একেকরকমের পরিবহণ সুবিধা উপভোগ করে। বর্তমানে ইলেকট্রিক স্কুটারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবার কারণে মানুষের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সুবিধা ও বেড়ে গেছে। যারা মোটরসাইকেল চালাতে অভ্যস্ত তাদের জন্য মোটরসাইকেল ও বেশ সুবিধাজনক। আবার ইলেকট্রিক স্কুটার বর্তমানে তরুণরা পছন্দ করছে তার কারণ হলো মোটরসাইকেলের দাম এর থেকেও ইলেকট্রিক স্কুটার এর দাম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য একেকজন একেকরকমের পরিবহণ সুবিধা উপভোগ করে। বর্তমানে ইলেকট্রিক স্কুটারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবার কারণে মানুষের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সুবিধা ও বেড়ে গেছে। যারা মোটরসাইকেল চালাতে অভ্যস্ত তাদের জন্য মোটরসাইকেল ও বেশ সুবিধাজনক। আবার ইলেকট্রিক স্কুটার বর্তমানে তরুণরা পছন্দ করছে তার কারণ হলো মোটরসাইকেলের দাম এর থেকেও ইলেকট্রিক স্কুটার এর দাম অনেক সস্তা তাই এটি তরুণদের পছন্দের শীর্ষে। যাইহোক আজকের আর্টিকেলে আমরা ইলেকট্রিক স্কুটার নাকি মোটরসাইকেল কোনটি কিনবেন এ নিয়ে কিছু কথা বলবো। আসলে আপনি কোন পরিবহন ব্যবস্থা পছন্দ করেন সেটা পুরোপুরি আপনার উপর। আমরা শুধু আপনাকে দুটোর সুবিধা-অসুবিধা তুলে ধরবো। ব্যক্তিগত পছন্দ কিন্তু আপনারই থাকবে। চলুন তাহলে ইলেকট্রিক স্কুটার এবং মোটরসাইকেলের সুবিধা অসুবিধা একটু দেখে নিই।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>প্রথমেই দেখা যাক ইলেকট্রিক স্কুটার এবং মোটরসাইকেলের পার্থক্য কোথায়?</strong></h3>



<p>যদি মোটরসাইকেলের কথা বলি তাহলে বলতে হবে যে মোটরসাইকেল চালানো একটু কঠিন কাজ সাধারণত মোটরসাইকেল অনেক ভারী হয় যে কেউ এটা সহজে হ্যান্ডেল করতে পারে না। কিন্তু মোটরসাইকেলের স্পিড কিন্তু বেশ ভালো যেকোনো জায়গায় খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হয়। আবার ইলেকট্রিক স্কুটার চার্জ এর সাহায্যে চলে, চালানো খুব কঠিন না। এটা সহজে হ্যান্ডেল করা যায় কারণ এটা অনেক হালকা । ইলেকট্রিক স্কুটার এর গতি সর্বোচ্চ ১৫ এমপিএইচ থেকে ৪০ এমপিএইচ পর্যন্ত। কিন্তু সবার আগে যেটা প্রয়োজন তা হল আপনি কোনটিতে সেফ এবং আপনি কোনটি ভালো ড্রাইভ করতে পারবেন। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>চালানো সহজঃ</strong></h3>



<p>প্রথমেই মোটরসাইকেলের কথায় আসি, মোটরসাইকেল চালানো সহজ নয় এবং এটা চালানো শিখতে কমপক্ষে ১৫থেকে ২৫ দিন সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার চালানো  অনেক সহজ। ইলেকট্রিক স্কুটার চালানো শিখতে ২ থেকে ৩ ঘন্টা সময়ই যথেষ্ট।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>ইঞ্জিন সাইজঃ</strong></h3>



<p>বেশিরভাগ মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন সাইজ ১৫০ সিসি থেকে ২০০০সিসি পর্যন্ত হয়। অন্যদিকে বেশিরভাগ ইলেকট্রিক স্কুটার এর মোটর ৫০সিসি থেকে ২৫০ সিসি পর্যন্ত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>সর্বোচ্চ গতিঃ</strong></h3>



<p>কিছু কিছু জনপ্রিয় মোটরসাইকেলের স্পিড ১১০ এমপিএইচ। আবার কিছু কিছু ভালো ব্রান্ডের ইলেকট্রিক স্কুটার সর্বোচ্চ  ৪০ এমপিএইচ গতিতে চলতে পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>চাকার সাইজঃ</strong></h3>



<p>নিঃসন্দেহে মোটরসাইকেলের চাকার সাইজ অনেক বড় হয় অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার এর চাকার সাইজ ছোট হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ</strong></h3>



<p>মোটরসাইকেল  চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এর দরকার হয়। বাংলাদেশ লাইসেন্স বিহীন মোটরসাইকেল পুলিশ রাস্তায় নামাতে দেয় না। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার চালানোর জন্য কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স এর দরকার পড়ে না। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>জ্যাম থেকে রক্ষা পেতেঃ</strong></h3>



<p>আমরা সবাই জানি ট্র্যাফিক জ্যাম বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যার মধ্যে একটা। তাই ট্রাফিক জ্যাম থেকে রক্ষা পেতে ইলেকট্রিক স্কুটার অনেক বড় একটা সহায়ক কারণ ইলেকট্রিক স্কুটার দেখতে অনেক পাতলা তাই জ্যামে আটকে থাকা গাড়ির ফাঁক দিয়ে বেশ অনায়াসে বের হওয়া যায় এবং জ্যাম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।  অন্যদিকে মোটরসাইকেলের সাইজ একটু বড় হয় তাই এগুলো কে জ্যাম থেকে বের হতে অনেক বেগ পেতে হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>প্রাইস রেঞ্জঃ</strong></h3>



<p>মোটরসাইকেলের প্রাইস রেঞ্জ অনেক বেশি বিশেষ করে ভালো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল এক থেকে আড়াই লাখ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটারের প্রাইস রেঞ্জ অনেক কম। ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকায় অনেক দামি ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক স্কুটার পাওয়া যায়। </p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>স্টোরিজ সুবিধাঃ</strong></h3>



<p>ইলেকট্রিক স্কুটার গুলোর স্টোরেজ সুবিধা অনেক বেশি। যেহেতু এগুলো ভাঁজ করে রাখা যায় সেহেতু আপনি এটাকে আপনার ইচ্ছা মত জায়গায় রাখতে পারবেন। কিন্তু মোটরসাইকেল কে যেহেতু ভাঁজ করা যায় না তাই গ্যারেজ ছাড়া বা মোটামুটি বড় জায়গা ছাড়া এটাকে রাখা যায় না। তাছাড়া ইলেকট্রিক স্কুটারকে ভাঁজ করে গাড়িতে করে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায় যেটা মোটরসাইকেল কে মোটেই করা সম্ভব না।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>চালকের সুরক্ষাঃ</strong></h3>



<p>যেহেতু সুরক্ষাকে সবার আগে দেখতে হবে তাই মোটরসাইকেল চালানোর জন্য হেলমেট অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটার বাচ্চারা যখন চালাবে তখন অবশ্যই হেলমেট, গ্লাভস ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু বড়দের ক্ষেত্রে তেমন ঝুঁকি নেই কিন্তু তারপরও হেলমেট ব্যবহার করার জন্য সচেতন থাকতে হবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>আরামদায়কঃ</strong></h3>



<p>কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইলেকট্রিক স্কুটার যেহেতু বেশিরভাগই দাঁড়িয়ে চালাতে হয় সেক্ষেত্রে এটি মেয়েদের চালানোর জন্য বেশ আরামদায়ক। বসে চালানোর চেয়ে দাঁড়িয়ে চালানো স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। দাঁড়িয়ে চালালে অনেক শক্তি খরচ হয় এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকে। আবার অন্যদিকে মোটরসাইকেল যারা চালায় তাদের বেশীরভাগেরই  মেদ ভুড়ি বেড়ে যায় কারণ মোটরসাইকেল বসে চালানোর জন্য দেহের কোন শক্তি খরচ হয় না।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>ট্রাফিক রুলসঃ</strong></h3>



<p>মোটরসাইকেল চালাতে ট্রাফিক রুলস অবশ্যই মেনে চলতে হয়। অন্যদিকে ইলেকট্রিক স্কুটারের জন্য তেমন কোন ট্রাফিক রুলস মানতে হয় না। আপনি রোডের এক সাইড থেকে যেমন চলতে পারেন তেমনি ইলেকট্রিক স্কুটার একদিক দিয়ে চালিয়ে যাওয়া যায়।</p>



<p>সবশেষে, ইলেকট্রিক স্কুটার এবং মোটরসাইকেলের আলাদা আলাদা সব সুবিধা আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ইলেকট্রিক স্কুটার পছন্দ করি কারণ এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়া খুব মুশকিল হয় সেক্ষেত্রে ইলেকট্রিক স্কুটার বেশি সুবিধাজনক। প্রত্যেকের নিজের পছন্দ আছে। যে যেটা পছন্দ করে সেটা অবশ্যই কিনবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি ইলেকট্রিক স্কুটার কিনেন কিংবা মোটরসাইকেল কিনেন, আপনার সুবিধা মত এবং সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই কিনবেন। কারণ আপনার সুরক্ষা আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-vs-motor-bike/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2767</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Electric Scooter maintenance guideline</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-maintenance-guide/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-maintenance-guide/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 22 Nov 2019 01:12:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[electric scooter maintenance]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2669</guid>

					<description><![CDATA[ইলেকট্রিক স্কুটার বর্তমান সময়ে চলাচলের বাহন হিসাবে এক চমৎকার মাত্রা যোগ করেছে। পৃথিবীতে অনেক দেশের লোকজন অফিস আদালত যাওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার জন্য ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করছে। ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং এগুলো দামেও সস্তা। এগুলোর ব্যবহার অনেক সহজ কিন্তু এগুলোর ও বেশ যত্নের প্রয়োজন হয়। অন্যান্য মেশিন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইলেকট্রিক স্কুটার বর্তমান সময়ে চলাচলের বাহন হিসাবে এক চমৎকার মাত্রা যোগ করেছে। পৃথিবীতে অনেক দেশের লোকজন অফিস আদালত যাওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য জায়গায় যাওয়ার জন্য ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করছে। ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং এগুলো দামেও সস্তা। এগুলোর ব্যবহার অনেক সহজ কিন্তু এগুলোর ও বেশ যত্নের প্রয়োজন হয়। অন্যান্য মেশিন এবং গাড়ি, বাইসাইকেল, মোটরবাইক এগুলোর মত ইলেকট্রিক স্কুটারের ও বিশেষ যত্ন এবং মেইনটেনেন্স এর দরকার হয়। যদি আপনি আপনার ইলেকট্রিক স্কুটার অনেকদিন ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই এর যত্ন এবং কিভাবে মেইনটেনেন্স করতে হয় তা আপনাকে জানতে হবে। আজকের আর্টিকেলে আপনি ইলেকট্রিক স্কুটার এর যত্ন এবং মেইনটেনেন্স সম্পর্কে আগাগোড়া ধারণা পেয়ে যাবেন। চলুন কথা না বাড়িয়ে দেখে নেই ইলেকট্রিক স্কুটারের যত্ন এবং মেইনটেনেন্স।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর ব্যাটারির যত্ন এবং মেইনটেনেন্সঃ</h3>
<p>ইলেকট্রিক স্কুটার এর যত্ন নিতে সবার প্রথমে যে বিষয়টি আসে তা হল ব্যাটারি রক্ষণাবেক্ষণ। বেশিরভাগ ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্যাটারি হল লিথিয়াম ব্যাটারি যেগুলোর পারফরম্যান্স অত্যন্ত চমৎকার। আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে ইলেকট্রিক স্কুটারে যে ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় এগুলো বেশ পাওয়ারফুল এবং এগুলোর স্থায়িত্ব অনেক বেশি দিন হয়। তাই যত্নের ক্ষেত্রে প্রথম যে পদক্ষেপটা আসবে তা হল স্কুটারের ব্যাটারির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ। আপনার ইলেকট্রিক স্কুটারের গতি যদি কমে আসে তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে এর ব্যাটারির ক্ষমতা কমে গেছে। যাই হোক ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য কিছু বিষয় লক্ষণীয়।</p>
<ul>
<li>কখনোই ব্যাটারির চার্জ একেবারে খালি করা যাবে না। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে যদি ব্যাটারির স্থায়িত্ব রাখতে চান তাহলে কমপক্ষে ৯০% চার্জ ব্যাটারিতে থাকতে হবে।</li>
<li>সব সময় ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্যাটারির চার্জার ব্যবহার করতে হবে। চার্জারে যেন লাইট সিগন্যাল থাকে যাতে চার্জ হয়ে গেলে আপনি বুঝতে পারেন।</li>
<li>চার্জ শেষ হওয়ার পর ব্যাটারিতে চার্জার লাগিয়ে রাখবেন না এতে ব্যাটারির স্থায়িত্ব নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।</li>
<li>ব্যাটারি থেকে কোন রাসায়নিক পদার্থ লিক হচ্ছে কি না তা লক্ষ্য রাখতে হবে। ব্যাটারির সংযোগ জায়গায় ক্ষয় হলে সেগুলো বন্ধ করুন।</li>
<li>ব্যাটারি ঠান্ডা হলে চার্জ দিন। এতে ব্যাটারি বেশি দিন স্থায়ী হবে।</li>
</ul>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার কে নিয়মিত পরিষ্কার করুনঃ</h3>
<p>আপনি যদি প্রতিদিন আপনার ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করেন তাহলে এতে অবশ্যই ধুলাবালি ,কাদা লাগবে তাই স্কুটার কে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে হালকা সাবান ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলো মেটালিক অংশ এবং পেইন্ট করা থাকে সে অংশে খুব জোরে ঘষা যাবে না, এতে স্কুটার এর বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। পরিষ্কার করার সময় দেখতে হবে কাদা ধুলাবালি ভালোভাবে পরিস্কার হলো কিনা কারণ এগুলো জমে গেলে স্কুটারের গতি কমে যায়। পানি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন যাতে ব্যাটারি কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর টায়ার চেক করাঃ</h3>
<p>একটা ইলেকট্রিক স্কুটারের সাধারণত দুটো টায়ার থাকে। একটা সামনে আরেকটা পিছনে। এই দুই টায়ার ওজন বহনের ক্ষেত্রে দুই ধরনের কাজ করে থাকে। সামনের টায়ার থেকে পেছনের টায়ার বেশি ওজন ধারণ করে থাকে। টায়ার ভাল রাখতে হলে নিয়মিত স্কুটারের টায়ারকে পাম্প করতে হবে, যে ধরনের টায়ারে যেমন প্রেসার দরকার সেই টায়ার কে সব সময় সেই প্রেসার রাখতে হবে তা না হলে লিক হয়ে যেতে পারে। নিচে একটা লিস্ট দেয়া হল</p>
<p>মডেল টায়ার প্রেসার</p>
<ul>
<li>Inokim Quick(10 inch tire) 45</li>
<li>Inokim Light(8.5 inch tire) 35</li>
<li>IMAX S1+(10 inch tire) 45</li>
</ul>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্রেকস এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণঃ</h3>
<p>ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই এর ব্রেকসগুলোর নিয়মিত সার্ভিসিং দরকার হয়। নিয়মিত চেক না করলে হঠাৎকরে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। এগুলো অ্যাক্টিভ রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই চেক করতে হবে। ব্রেকসগুলো যদি ঢিলা থাকে তাহলে সেগুলোকে টাইট করতে হবে পরিমিত মাত্রায়। যদি ব্রেক গুলো হাইড্রোলিক ব্রেক হয় তাহলে লক্ষ্য রাখতে হবে সেগুলোতে যেন প্রচুর ফ্লুইড থাকে। বেশিরভাগ ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্রেক গুলো মেকানিক্যাল ব্রেক হয়। তাই এই এগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ দরকার হয়।এগুলো নিয়মিত লুব্রিকেসনের দরকার পড়ে। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যেখান থেকে ইলেকট্রিক স্কুটার কিনেছেন বা কিনবেন সেখান থেকে এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের টিপসগুলো নিতে পারেন এতে আপনার যত্ন নিতে সুবিধা হবে।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটারের বিয়ারিং এর যত্নঃ</h3>
<p>চাকার যত্নের পাশাপাশি ইলেকট্রিক স্কুটারের বিয়ারিংস গুলোর যত্ন এবং মেইনটেনেন্স করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কাদা এবং ধুলাবালি পরিষ্কার করার পাশাপাশি এগুলোকে নিয়মিত গ্রিজ করতে হয় যাতে সেগুলো সচল থাকে। ইলেকট্রিক স্কুটারের বিয়ারিংস গুলোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হয়।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর চেইন অথবা বেল্টের যত্নঃ</h3>
<p>আপনার ইলেকট্রিক স্কুটারটিকে সচল রাখার জন্য এর চেইন অথবা বেল্ট এর যত্ন নিতে হবে এবং এগুলোর দিকে পুরো খেয়াল রাখতে হবে। চেইন যদি ঢিলা হয়ে যায় সেক্ষেত্রে স্কুটার স্লিপ করার সম্ভাবনা থাকে। বেল্ট এর ক্ষেত্রে যদি বেল্ট ঢিলা হয় তাহলে স্কুটার অনেক হিট হয়ে যায় এবং বেল্ট ভেঙে যায়। বেল্ট এবং চেইন রিপ্লেস করতে চাইলে যেখান থেকে কিনেছেন সেখানকার ম্যানুয়াল ফলো করা অনেক বেশি ভালো হবে।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটারে লুব্রিকেশন দেয়াঃ</h3>
<p>বাইসাইকেল বা মোটরবাইক বা অন্যান্য যানবাহনের মত ইলেকট্রিক স্কুটারে ও তেল দেয়া প্রয়োজন হয়। মুভিং পার্টসগুলোকে সচল রাখতে লুব্রিকেশন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা কাজ। ইলেকট্রিক স্কুটারের চেইন, থ্রটল এবং ব্রেকস গুলোকে ও লুব্রিকেট রাখা প্রয়োজন। এতে স্কুটারের গতি ভালো থাকে তবে অবশ্যই ভালো লুব্রিকেশন ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে কেনার সময় আপনাকে যে ধরনের তেল কিনতে বলে সে ধরনের তেল ব্যবহার করা আপনার স্কুটার এর জন্য ভালো হবে।</p>
<p>পরিশেষে ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো সরল এবং মসৃণ রাস্তায় চলার জন্য তৈরি করা হয়েছে। যে ইলেকট্রিক স্কুটার যে ক্যাপাসিটি ধরে রাখতে সক্ষম তার বাহিরে কাজ করা বা প্রেসার দিলে ইলেকট্রিক স্কুটারের গতি এবং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। উঁচু-নিচু রাস্তায় স্কুটার চালালে স্কুটার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তবে ইলেকট্রিক স্কুটারের যত্ন এবং মেইনটেনেন্স এত কঠিন ব্যাপার নয় আবার এতে খরচ ও বেশি হয় না। আপনি যদি উপরে বর্ণিত টিপসগুলো খেয়াল রাখতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ইলেকট্রিক স্কুটার অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-maintenance-guide/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2669</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার গাইডলাইন</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-buying-guide/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-buying-guide/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Nov 2019 16:11:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[buying-guide]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[ইলেকট্রিক স্কুটার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2657</guid>

					<description><![CDATA[পৃথিবীতে বর্তমানে শহরগুলোতে ব্যস্ততা ক্রমশ বেড়েই চলছে। দ্রুত কোন জায়গা পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় বাধা হলো ট্রাফিক জ্যাম। এই জ্যাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বড় বড় শহরগুলোর লোকজন ইলেকট্রিক স্কুটার গুলোর প্রতি বর্তমানে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। যেহেতু ব্যক্তিগত গাড়ি গুলো অনেক সময় ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি করে তাই ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো হতে পারে পরিবহনের জন্য চমৎকার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পৃথিবীতে বর্তমানে শহরগুলোতে ব্যস্ততা ক্রমশ বেড়েই চলছে। দ্রুত কোন জায়গা পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় বাধা হলো ট্রাফিক জ্যাম। এই জ্যাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বড় বড় শহরগুলোর লোকজন ইলেকট্রিক স্কুটার গুলোর প্রতি বর্তমানে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। যেহেতু ব্যক্তিগত গাড়ি গুলো অনেক সময় ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি করে তাই ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো হতে পারে পরিবহনের জন্য চমৎকার মাধ্যম। তাই অনেকেই গাড়ির বদলে স্কুটার কিনতে চায়। আজকের আর্টিকেলে স্কুটার কেনার গাইডলাইন সম্পর্কে জানা যাবে। তুলনামূলকভাবে স্কুটারগুলোর মেইনটেনিং খরচ অনেক কম তাছাড়া এগুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া অনেক সহজ। এগুলো খুব সহজে ভাঁজ করে গাড়ির পিছনে, গ্যারেজে রাখা যায়। লোকজনের চাহিদার কথা ভেবে অনেক কোম্পানি এখন ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো তৈরি করছে। বাজারে অনেক দামি ব্র্যান্ডের স্কুটার আছে এবং কম দামের ও স্কুটার আছে। তাই আপনি যদি স্কুটার কিনতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কেনার আগে জানতে হবে ইলেকট্রিক স্কুটার এর কার্যক্ষমতা, আরামদায়ক হবে কি না? কেমন রাস্তায় এগুলো চালাতে হয় ইত্যাদি। তাই আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে আপনার এগুলো সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা তৈরি হয়ে যাবে। চলুন তাহলে দেখে নেই ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার আগে কোন বিষয়গুলো মাথায় রেখে কিনতে হবে।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর ধরন এবং কি দিয়ে তৈরিঃ</h3>
<p>যখন আপনি কোন ইলেকট্রিক স্কুটার কিনবেন আপনি অবশ্যই চাইবেন এটা যেন সব পরিস্থিতিতে ভালো কাজ করে এবং নষ্ট যেন না হয়। বেশিরভাগ স্কুটারই অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। এটা অত্যন্ত ভালো একটি উপকরণ। যদি পুরো স্কুটারের ফ্রেমটা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি হয় তাহলে এটা ভারী হয়। কিন্তু যদি অ্যালুমিনিয়াম এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে মিক্স করে তৈরি হয় যেমন কার্বন ফাইবার,কেভিয়ার এবং ম্যাগনেসিয়াম তাহলে এগুলো অনেকদিন ব্যবহার করা যায় এবং ওজনও হালকা হয়। তাই ই-স্কুটার কেনার আগে উপকরণগুলো কিসের তা জানা প্রয়োজন।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর পারফরম্যান্স বা কর্মক্ষমতাঃ</h3>
<p>ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার সময় সবার আগে দেখতে হবে যে এটা কেমন কার্যক্ষমতা সম্পন্ন। আপনি আপনার টাকা খরচ করে যে নতুন একটা স্কুটার কিনলেন কয়দিন পর তা খারাপ হয়ে যাবে এটা নিশ্চয়ই আপনি চাইবেন না। তাই কেনার আগে যে জিনিস মাথায় রাখতে হবে তা হল স্কুটার এর স্পিড, ব্যাটারি পাওয়া্‌র, রেঞ্জ ইত্যাদি। আসুন এসব বিষয়ে একটু বিশদ জেনে নিই।</p>
<p><strong>স্পিডঃ</strong> স্কুটার কেনার আগে এটা কত স্প্রিডে যেতে পারে এসব নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। প্রকৃতপক্ষে স্কুটার এর স্পিড নির্ভর করে এর মোটর পাওয়ার এর উপর তাছাড়া রাইডারের ওজন, টায়ার কতটুকু বায়ু পূর্ণ এবং ভালো রাস্তার উপর। একজন ৭০ কেজি ওজনের লোকের জন্য প্রয়োজন একটি ফ্ল্যাট স্কুটার, ভালো রাস্তা এবং স্কুটারের চাকা পরিপূর্ণ বাতাসযুক্ত। স্কুটারের স্পিড এর ক্ষেত্রে ১৫ এমপিএইচ হল আদর্শ এর বেশি না হওয়াই ভালো।সাধারণত স্কুটার গুলো ৪০ এমপিএইচ এর বেশি হয় না। যদি ভালো রাস্তার উপর দিয়ে চালানো হয় এবং ব্যক্তির ওজন যদি কম থাকে তাহলে ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো চলাচলের জন্য অতি উত্তম।</p>
<p><strong>ব্যাটারি পাওয়ারঃ</strong> স্কুটার এর সর্বনিম্ন ব্যাটারি পাওয়ার হল ২৫০ ওয়াট এবং সর্বোচ্চ ৬৭২০ ওয়াট। আবার কিছু কিছু ইলেকট্রিক স্কুটার এর ব্যাটারি পাওয়ার থাকে ৫০০ ওয়াট এবং ২০০০ ওয়াট পর্যন্ত। একটা কথা না বললেই নয় শক্তিশালী ব্যাটারি গুলোর দরকার পড়ে যদি আপনি অনেক দূরে ট্রাভেল করেন এবং পাহাড়ের মতো রাস্তায় চলতে চান কিংবা খুব দ্রুত আপনার গন্তব্যে পৌঁছানো দরকার যেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়।</p>
<p><strong>রেঞ্জ বা পরিসরঃ</strong> রেঞ্জ এর ক্ষেত্রে যেটা চিন্তা করা প্রয়োজন তা হলো স্কুটার ব্যবহার করবেন কিভাবে ? এক্ষেত্রে আপনার গন্তব্য যদি দূরে হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই বড় ব্যাটারির ই- স্কুটার কিনতে হবে। অবশ্যই বড় ব্যাটারির স্কুটার গুলোর দাম একটু বেশি এবং একটু ভারী হয়। আবার আপনি যদি সপ্তাহের শেষে কাছাকাছি কোন জায়গায় ঘুরতে যান তাহলে আপনার বেশি রেঞ্জের স্কুটার দরকার নেই। স্কুটারের রেঞ্জ নির্ভর করে রাইডার এর ওজন, সারফেস কোয়ালিটি এবং স্পিড এর উপর।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার আরামদায়ক হবে কি নাঃ</h3>
<p>এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে ইলেকট্রিক স্কুটার চালানো অবশ্যই আরামের। এটা চালাতে গেলে হাতে কোন ব্যথা হয় না যতক্ষণ চালাবেন রিলাক্স মুডে চালাতে পারবেন। অবশ্যই আরামদায়ক খোঁজার জন্য কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যেমন-</p>
<p><strong>চাকাঃ</strong> স্কুটার কেনার সময় চাকার বিষয়টি বেশি খেয়াল রাখা প্রয়োজন কারণ এবড়ো থেবড়ো রাস্তায় এটি চালাতে কখনোই আরামদায়ক হবে না। স্কুটার এর চাকার ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট টায়ার আপনাকে আরামদায়ক রাইডিং দিতে পারে কারণ এগুলো বেশি রক্ষণাবেক্ষণের দরকার পড়ে না। তবে অবশ্যই ৮ ইঞ্চির কম চাকাযুক্ত স্কুটার না কেনাই ভালো। টায়ারগুলো অবশ্যই বায়ু পূর্ণ হতে হবে তবেই এটাতে চড়তে আপনার আরাম লাগবে। যেহেতু স্কুটারের টায়ার পাংচার হলে সেটা সারিয়ে তোলা বেশ কঠিন তাই পাংচার প্রোটেকশন ফ্লুয়িড ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p><strong>সাসপেনশনঃ</strong> সাসপেনশন বিহিন টায়ার আপনার স্কুটার কে ভালোভাবে চলতে দিবে না। তাই স্কুটার কেনার আগে সাসপেনশন কেমন তা দেখে কিনবেন।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটারের ব্রেকঃ</h3>
<p>ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার সময় বা আপনার সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে সবচেয়ে আগে। এটার ৩ ধরনের ব্রেকস থাকে।</p>
<p><strong>ইলেকট্রিক ব্রেকঃ</strong> ইলেকট্রিক ব্রেক গুলোর জন্য বেশি রক্ষণাবেক্ষণের দরকার হয় না আর এটা দিয়ে আপনার স্কুটারকে খুব সহজে থামাতে পারবেন।</p>
<p><strong>ডিস্ক ব্রে্ক এবং ড্রাম ব্রেকঃ</strong> দুটো অনেক ভালো মানের ব্রেকস কিন্তু এগুলোর খুব যত্ন নিতে হয় যেমন কারের ব্রেকস।</p>
<p><strong>ফুট ব্রেকঃ</strong> কাদাযুক্ত জায়গায় থামার জন্য ফুট ব্রেকস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত বাচ্চাদের স্কুটার গুলোতে এ ধরনের ব্রেক থাকে।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটারের ওয়েট এবং সাইজঃ</h3>
<p>ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার আগে অবশ্যই স্কুটারের ওয়েট এবং সাইজ সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। যদি আপনি আপনার জন্য একটা আরামদায়ক স্কুটার চান তাহলে এই দুটো ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। আপনাকে একটা বিষয় চিন্তা করতে হবে যে আপনি কি একটা বড় সাইজের স্কুটার কন্ট্রোল করতে পারবেন? আবার আপনার পা কি ফিট হবে স্কুটারের বোর্ডের উপর? একই প্রশ্ন স্কুটারের ওয়েট নিয়েও হতে পারে। আপনি যেখানে থাকেন সেখানে কি লিফট আছে না সিঁড়ি ব্যবহার করতে হয়? যদি বেশি ওজনের স্কুটার ব্যবহার করেন তাহলে তা ক্যারি করতে পারবেন কি না? এটাকে ভাঁজ করা যায় কি না ইত্যাদি বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। তবে সাইজ এর ক্ষেত্রে ৩ টি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তা হল</p>
<ul>
<li>বারের উচ্চতা এবং প্রশস্ততা</li>
<li>ডেক সাইজ</li>
<li>ভাঁজ করার পর সাইজ কেমন হবে ইত্যাদি</li>
</ul>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার রাইডিং এর জন্য প্রয়োজনীয় যেসব জিনিসঃ</h3>
<p><strong>হেলমেটঃ</strong> এটি যেহেতু বাইসাইকেলের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলে তাই চালানোর সময় হেলমেট পড়া খুব জরুরী।</p>
<p><strong>তালাঃ</strong> এটি একটা দামী জিনিস তাই এটাকে অবশ্যই তালা দিয়ে রাখতে হবে তা না হলে চুরি হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।</p>
<p><strong>ফোন কেসঃ</strong> স্কুটারে আপনি যদি কোনো অজানা জায়গায় ট্রাভেল করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই গুগল ম্যাপ দেখে যেতে হবে তাই একটা ফোন কেস বা হোল্ডার রাখা জরুরী যাতে চালানোর সময় মনোযোগ নষ্ট হয়ে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।</p>
<p><strong>পাংচার প্রোটেকশন ফ্লুইদঃ</strong> আপনার স্কুটার এর যদি বায়ুপূর্ণ টায়ার হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই পাংচার প্রোডাকশন ফ্লুয়িড সাথে রাখা প্রয়োজন যাতে পাংচার না হয়।</p>
<p><strong>লাইটসঃ</strong> স্কুটার এর জন্য অতিরিক্ত লাইট লাগিয়ে নিতে পারেন যাতে রাতের বেলায় চলাচল করতে সুবিধা হয়।</p>
<h3>ইলেকট্রিক স্কুটার এর চার্জের সময়ঃ</h3>
<p>বাজারে বেশিরভাগ যে ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো পাওয়া যায় সেগুলো ১৫-২৫ কিলোমিটার যেতে পারে একবার চার্জ দিলে। তবে কেনার সময় অবশ্যই দেখতে হবে যে লো ক্যাপাসিটি্র ব্যাটারি যেন না হয়। বাজারে সাধারণত স্কুটার ৪-৫ ঘন্টা সময় চার্জ লাগে এমন সব স্কুটার বেশি পাওয়া যায় তাই জেনে বুঝে কিনতে হবে।</p>
<p>পরিশেষে, আশাকরি ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার গাইডলাইন টি আপনাদের সহায়তা করবে। বাংলাদেশে যেহেতু এগুলোর প্রোডাকশন নেই তাই এগুলো কেনার জন্য আমাদের সাহায্য নিতে হয় ইন্টারনেট থেকে। কম্পিউটারে এক ক্লিক করলেই কেনা যায়। এগুলো ধরে দেখে কেনার সুযোগ নেই তাই এই গাইডলাইনটি আপনাদের সাহায্য করবে। কেনার সময় সব ডিটেলইস পরীক্ষা করে তারপর অর্ডার করবেন। আপনাদের উপকারে আসলে তবেই লেখাটি সার্থক হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/electric-scooter-buying-guide/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2657</post-id>	</item>
		<item>
		<title>Best electric scooter in Bangladesh</title>
		<link>https://electricscooter.com.bd/best-electric-scooter-bd/</link>
					<comments>https://electricscooter.com.bd/best-electric-scooter-bd/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[electricscooter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Nov 2019 14:50:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Electric]]></category>
		<category><![CDATA[Electric Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[Scooter]]></category>
		<category><![CDATA[ইলেকট্রিক]]></category>
		<category><![CDATA[ইলেকট্রিক স্কুটার]]></category>
		<category><![CDATA[স্কুটার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://electricscooter.com.bd/?p=2639</guid>

					<description><![CDATA[ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো হলো দুর্দান্ত সব পরিবহন ব্যবস্থা গুলোর মধ্যে অন্যতম। এগুলোর জন্য কোন লাইসেন্সের দরকার পড়ে না যেমন দরকার হয় গাড়ি চালাতে কিংবা মোটরসাইকেল চালাতে। এগুলো চালানো শিখতেও খুব সময়ের দরকার হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে এগুলো থেকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোন গ্যাস সৃষ্টি হয় না তাই বলা যায় এগুলো বেশ পরিবেশবান্ধব। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো হলো দুর্দান্ত সব পরিবহন ব্যবস্থা গুলোর মধ্যে অন্যতম। এগুলোর জন্য কোন লাইসেন্সের দরকার পড়ে না যেমন দরকার হয় গাড়ি চালাতে কিংবা মোটরসাইকেল চালাতে। এগুলো চালানো শিখতেও খুব সময়ের দরকার হয় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে এগুলো থেকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোন গ্যাস সৃষ্টি হয় না তাই বলা যায় এগুলো বেশ পরিবেশবান্ধব। আপনার চাহিদা মত, বাজেট এবং ভালো উপাদানের উপর নির্ভর করে আজকের আর্টিকেল সাজানো হয়েছে সেরা ১০টি ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে। এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো কেমন হয় এবং চলাচলের সুবিধার জন্য এগুলো কতটা আনন্দায়ক। চলুন তাহলে দেরি না করে দেখে নিই সেরা ১০টি ইলেকট্রিক স্কুটারের আদ্যোপান্ত।</p>
<p>নিচে সেরা ১০টি ইলেকট্রিক স্কুটার সম্পর্কে বিবরণ দেওয়া হলোঃ</p>
<h3>Razor E100 Electric Scooter:</h3>
<p>যারা ইলেকট্রিক স্কুটার চালাতে ভালোবাসেন তাদের পছন্দের তালিকায় সবার প্রথমে যে নামটি থাকে তা হল Razor। যদিও এই স্কুটার কোম্পানিটি বলে যে তাদের E100 লাইনটি ১২০ পাউন্ড এর বেশি ওজন ধারন সম্পন্ন কিন্তু এটি প্রায় ৮০ পাউন্ড এর কাছাকাছি ওজন ধারণ করতে সক্ষম। তবে এর চলার গতি খুব ভালো। আপনি এই স্কুটারকে ৮ থেকে ১০ এম পি এইচ গতিতে চালাতে পারবেন। কিন্তু কোনো এবড়ো থেবড়ো জায়গা দিয়ে চালাতে পারবেন না। এছাড়াও আপনার ওজন বেশি হলে এটি আস্তে আস্তে চলবে। এটার ব্যাটারি ডেকের থেকে নিচে থাকে তাই বৃষ্টির দিনে এটা চালাতে অসুবিধা হয় না। এর ব্যাটারি লিড এসিড রিচার্জেবল। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি গভীর পানিতে এটা চালানো না হয়। এই ইলেকট্রিক স্কুটার গুলো অনেক হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন বিশেষ করে এর ব্যাটারি। একবার সম্পূর্ণরূপে চার্জ হতে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত সময় নেয়। এর মূল্য ১২৫ ডলার।</p>
<h3>Razor E200 Electric Scooter:</h3>
<p>Razor E100 এর মত Razor E200 এর ব্যাটারিও ২৪ ভোল্টের, চার্জ হতে সময় লাগে ১২ ঘণ্টা। কিন্তু দুটোর মধ্যে পার্থক্য আছে স্পিড, সাই্‌জ, স্কুটার এর ওজন এবং ওয়েট ক্যাপাসিটির উপর। যাই হোক এটা E100 এর চেয়ে দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম। এটার ম্যাক্সিমাম স্পিড ১২ এম পি এইচ, একটানা চালানো যায় ৪০ মিনিট পর্যন্ত এবং এর ওজন ধারণ ক্ষমতা ১৫৪ পাউন্ড। এটা এত আকর্ষণীয় ডিজাইনে তৈরি যে যখন আপনি এই স্কুটারটি চালাবেন লোকজন শুধু তাকিয়ে থাকবে। এটার দাম ১৯৮ ডলার।</p>
<h3>Razor E300s Seated Electric Scooter:</h3>
<p>সবগুলো ইলেকট্রিক স্কুটার এর মধ্যে এই মডেলটি হলো সবচেয়ে শক্তিশালী ইলেকট্রিক স্কুটার। একবার চার্জ দিলে এটি একটানা ৪০ মিনিট ধরে ১৫ এমপিএইচ স্পিডে চলতে পারে। তবে এর মধ্যে যে বৈশিষ্ট্যগুলো আছে সেগুলো বিভিন্ন জলবায়ু, চালানোর দক্ষতা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এর উপর পরিবর্তিত হতে পারে। স্কুটারটির ওজন ধারণ ক্ষমতা ২২০ পাউন্ড পর্যন্ত কিন্তু তার চেয়েও বেশি ওজন ধারণ করতে সক্ষম। এজন্য বিশ্বের অনেক জায়গায় এই স্কুটারটির অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এর টায়ার গুলো অনেক প্রশস্ত হাওয়ায় এটা অনেক স্থিতিশীল এবং আরামদায়ক। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি এই স্কুটারের তা হল এর সিট অপসারণযোগ্য। আপনি চাইলে সিট ব্যবহার করতে পারেন আবার যদি না চান তাহলে অপসারণ করে এটি চালাতে পারবেন। চালানোর সময় কোন শব্দ নির্গত হয় না। এটার দাম হল ২৮৯ ডলার।</p>
<h3>Xiaomi Mi Electric Scooter:</h3>
<p>রেজারের পর ইলেকট্রিক স্কুটারের দুনিয়ায় শাওমি হল আর একটি মূল্যবান ব্রান্ড। এই স্কুটারটি চীনের তৈরি। এই কোম্পানিটি এটি তৈরি করে অত্যন্ত সম্মানজনক পুরস্কার আই এফ ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ পেয়েছে। এই স্কুটারটির মোটর অনেক শক্তিশালী যা কিনা ২৫০ ওয়াট বিশিষ্ট একটা মোটর। এটি একটানা ৭২ মিনিট চালাতে পারবেন এবং ১৫ এমপিএইচ স্পিডে। এই স্কুটারটির চাহিদা প্রচুর কারণ মাত্র ৩ সেকেন্ডের মত সময় লাগে এটা ভাঁজ করে রাখতে। এর দাম একটু বেশি কিন্তু এটা খুব সহজে গাড়ির লকারে এবং গ্যারেজে রাখা যায়। মূলত টিনএজারদের জন্য এটা তৈরি করা। এটার ওজন ধারণক্ষমতা ২৬.৯ পাউন্ড।</p>
<h3>Glion Dolly Foldable Electric Scooter:</h3>
<p>কিছু কিছু মানুষ স্কুটার চালাতে পছন্দ করে কিন্তু সব সময় প্রয়োজন পরলেও ক্যারি করতে চায় না কারণ এগুলো দেখতে অনেকটা উদ্ভট হয়ে থাকে। কিন্তু সেক্ষেত্রে Glion Dolly ইলেকট্রিক স্কুটারটি একটু আলাদা কারণ আপনি যেখানে যেতে চান এটি সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। ঠিক আমরা যেমন ট্রাভেল ব্যাগ সাথে নিতে পারি এই স্কুটারটিও ট্রাভেল ব্যাগ এর মত সাথে নিয়ে হাঁটা যায়। এর আরও একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এটি মাত্র ৩.৫ ঘন্টা চার্জ দিলেও চলে কারণ এর মধ্যে রয়েছে ২৫০ওয়াট মোটর। পুরোপুরি চার্জ দিলে এটি ১৫ এমপিএইচ সর্বোচ্চ গতিতে প্রায় ১ ঘন্টা অবিরাম চলতে পারে। তবে অবশ্যই আবহাওয়া, চলাচলের রাস্তা এবং রাইডারের ওজনের উপর নির্ভর করে এটি কতদিন চালাতে পারবেন।</p>
<h3>Razor Rx200 Electric Scooter:</h3>
<p>রেজারের এই মডেলটি রেজার E200 থেকে একধাপ উপরে। চাকাগুলো ভারী এবং যেকোন আবহাওয়া ও রাস্তায় এটি চলতে পারে। টিনেজার এবং পূর্ণ বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত চমৎকার একটি ইলেকট্রিক স্কুটার। এর ওজন ধারণ ক্ষমতা ১৫৫ পাউন্ড এর কাছাকাছি। এটি একটি ভালো কমিউটেটর হিসাবে অধিকাংশ মানুষের মনেই জায়গা করে নিয়েছে। এর ৪০ মিনিটে সর্বোচ্চ গতি ১২ এমপিএইচ। বাজারে এর মূল্য ৪৪৪.৪৪ ডলার।</p>
<h3>Razor Ecosmart Metro Electric Scooter:</h3>
<p>এটি অনেক উন্নত মানের কমিউটেটর হিসাবে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। যে কেউ এটি ব্যবহার করতে পারবে গাড়ির বদলে চলাচলের চমৎকার বাহন হিসেবে। এটা চার্জ হতে কমপক্ষে ১২ ঘন্টা সময় নেয়। একবার সম্পূর্ণরূপে চার্জ নিলে এটি কমপক্ষে ১২ এমপি এইচ অনায়াসে চলতে পারে।</p>
<h3>Gotrax Gxl Electric Scooter:</h3>
<p>Gotrax হল কালো রংয়ের দারুন একটি স্কুটার। এর টায়ার ৮.৫ ইঞ্চি চওড়া এবং এজন্যই এটি ২২০ পাউন্ড ওজন ধারণ করতে সক্ষম। কমপক্ষে ৪ ঘন্টা চার্জ করলে এটা ১২.৫ এমপিএইচ পর্যন্ত ট্রাভেল করা যায়। এটি খুব সহজেই ভাঁজ করে রাখা যায়। স্কুটারটির ওজন মাত্র ৩১ পাউন্ড।</p>
<h3>Nanrobot D4+Electric Scooter:</h3>
<p>ন্যানো রোবট ইলেকট্রিক স্কুটারটিতে ১০০০ ওয়াট মোটর লাগানো আছে এবং এটি যেকোনো পাহাড়েও উঠতে সক্ষম। এর ম্যাক্সিমাম স্পিড হল ৪০ এমপিএইচ। এটা এতো দ্রুতগতিসম্পন্ন যে রাইডারদের এটা চালানোর সময় এর ব্রেক শক্ত করে ধরে রাখতে হয় এবং মাথায় অবশ্যই হেলমেট পরতে বলা হয়। এটা পানি এবং কাদার মধ্য দিয়েও ভালোভাবে চলতে পারে। তবে বাংলাদেশে এটির শিপমেন্ট হয় না। স্কুটারটি ওজন ধারণ করতে সক্ষম ৩৩০ পাউন্ড পর্যন্ত। একবার চার্জ দিলে কমপক্ষে ৪৫ এম পিএইচ নির্বিঘ্নে ট্রাভেল করা যায়।</p>
<h3>Evo Electric Scooter:</h3>
<p>ইভো ইলেকট্রিক স্কুটার এর ডিজাইন অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং যে কেউ এর রাইডিং উপভোগ করতে পারবে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ব্যাটারির ভোল্টেজ ১৬০০ ওয়াট এবং খাঁড়া পাহাড়ে স্কুটারটি বাতাসের মত চলতে পারে। এর এক্সিলেটরের সাহায্যে স্পিড বাড়ানো এবং কমানো যায়। এর ম্যাক্সিমাম স্পিড ৩০ এমপিএইচ এবং ৬ থেকে ৮ ঘন্টা চার্জ দিলে স্কুটারটি একটানা ৬০ মিনিট চলতে পারে। এর দাম পড়বে ৮৯৯.৯৫ ডলার। এই স্কুটারটির ওজন ধারণ ক্ষমতা ২৬৫ পাউন্ড পর্যন্ত।</p>
<p>সবশেষে বাংলাদেশ এই স্কুটার গুলো একেবারেই নতুন। এগুলো এখানে দেখা যায় না বললেই চলে। কিন্তু এগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই এগুলো পরিবহনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এই স্কুটারগুলোর প্রত্যেকটি বর্তমানে ট্রাভেল করার জন্য বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। এগুলো কেনার আগে অবশ্যই এর গুণগত মান নিশ্চিত হয়ে কিনবেন। আশাকরি, এই আর্টিকেলটি ইলেকট্রিক স্কুটার কেনার আগে বেশ উপকারে আসবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://electricscooter.com.bd/best-electric-scooter-bd/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2639</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
